Search This Blog

Friday, December 27, 2013

বাংলাদেশের রাজনীতি


মার্চ ফর ডেমোক্রেসি ঠেকাতে যুদ্ধংদেহী সরকার : আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, ‘বাঁচা-মরার লড়াই’, লাঠি নিয়ে পাহারার নির্দেশ, ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা


আগামী রোববারের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ বা গণতন্ত্রের অভিযাত্রার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা। ওই কর্মসূচি ঠেকানোকে ‘বাঁচা-মরার লড়াই’ বলে মন্তব্য করে তারা বলেছেন, ঢাকায় জমায়েত ঠেকাতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লাঠিহাতে পাড়া-মহল্লায় পাহারা দেবেন।
তবে সরকারের এই যুদ্ধংদেহী ঘোষণা সত্ত্বেও সাড়া জাগানো এ কর্মসূচি সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ১৮ দলের শরিক ও সমমনা রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনগুলো।
‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ নস্যাত্ করতে ইতোমধ্যেই দেশব্যাপী গণগ্রেফতার শুরু হয়েছে। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, গ্রেফতার অভিযানের গতি ততই বাড়ছে। গতকাল দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন খোকনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
গণতন্ত্রের অভিযাত্রা ঠেকাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। সমাবেশ বানচালের কৌশল হিসেবে সব ধরনের বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেয়ার নির্দেশও অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সমাবেশের অনুমতি দেয়নি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। কর্মসূচি ঠেকাতে শনিবার ও রোববার পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে আওয়ামী লীগ সমর্থক শ্রমিক লীগ।
এদিকে গতকাল মখা আলমগীরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল সমাবেশ ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আবেদন করে। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাতে সায় দেননি।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন প্রতিহত করার ডাক দিয়ে ২৯ ডিসেম্বর সারাদেশ থেকে লাল সবুজের পতাকা হাতে জনগণকে ঢাকায় সমবেত হওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেন খালেদা জিয়া।
এরপর দেশজুড়ে ওই কর্মসূচি ব্যাপক সাড়া ফেলায় তা ঠেকাতে দমনাভিযান শুরু করে সরকার। এর অংশ হিসেবে রাজধানীতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে যৌথবাহিনী। পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর সদস্যরা বুধবার রাত থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন অংশে এ অভিযান শুরু করে। দেশের বিভিন্ন অংশে আগেই এ অভিযান শুরু হয়েছে। মূলত ১৮ দলের নেতাকর্মীদের টার্গেট করেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সরকার ধারণা করছে, গ্রেফতার অভিযান শুরু করলেই মাঠ গরম করার মতো লোক থাকবে না। আন্দোলন দমনের কৌশল হিসেবে রাজধানীতে পুলিশ পুড়িয়ে হত্যার মামলায় আসামি করা হয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে। তাদের গ্রেফতার করতে হন্যে হয়ে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সরকারের ধারণা, হত্যা মামলা হওয়ার পর এসব নেতা আর প্রকাশ্যে আন্দোলনে অংশ নিতে পারবেন না।

কর্মসূচি সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি
সরকারের বাধার কথা মাথায় রেখেই ওই কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। দলীয় সূত্র জানায়, যে কোনো মূল্যে নয়াপল্টনে জনসমাগম ঘটানো হবে। বাধা এলে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে, জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী এই কর্মসূচি সফল করতে সর্বোচ্চ শক্তি প্রদর্শন করবে বলে জানা গেছে।
বিএনপি নেতারা বলেছেন, সারাদেশে আন্দোলনের যে ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে, তা রাজধানীতে এসে আছড়ে পড়বে। এর ফলে একতরফা নির্বাচন প্রতিহত ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায়ের আন্দোলন নতুন মাত্রা পাবে।
জোট নেতারা বলেছেন, বিগত দিনগুলোর আন্দোলনে সারাদেশ থেকে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সফলতা পেতে ঢাকাকে অচল করার কোনো বিকল্প নেই। এজন্যই মার্চ ফর ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রের অভিযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই কর্মসূচি সফল করতে ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। শনিবার থেকে সরকার ঢাকায় অলিখিত কারফিউ দিতে পারে—এই আশঙ্কায় দেশের অধিকাংশ এলাকা থেকেই শুক্রবারের মধ্যে ঢাকা আসার পরিকল্পনা নিয়েছেন তারা।
বিএনপি সূত্র জানায়, সরকারের কঠোর অবস্থানেও ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জমায়েত ঘটানোর বিষয়ে অনড় অবস্থানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বগুড়া জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন বলেন, বৃহস্পতিবার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন। অবশিষ্ট নেতাকর্মীরা শুক্রবারের মধ্যে নিশ্চিত ঢাকায় পৌঁছে যাবেন। বগুড়া থেকে ৫০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাবেন।
সমাবেশে যোগ দিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী বুধবার রাতে চট্টগ্রাম ত্যাগ করেছেন বলে বলা হচ্ছে।
আমাদের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জানান, কর্মসূচিতে যোগ দিতে কুষ্টিয়া থেকে জেলা বিএনপি ও হেফাজত নেতাকর্মীরা গতকাল সকাল থেকে ঢাকা যাওয়া শুরু করেছেন। জেলার প্রত্যেক উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের জরুরি বৈঠক করেছেন।
জেলা হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, দলের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশে গতকাল সকাল থেকে নেতাকর্মীরা বাস-ট্রেনযোগে ঢাকা যাওয়া শুরু করেছেন।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন বলেন, কুষ্টিয়া থেকে প্রায় ১৫ হাজার নেতাকর্মী ঢাকার কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
এদিকে কর্মসূচির প্রতি এরই মধ্যে সংহতি জানিয়েছে ১৮ দলীয় জোটের বাইরে থাকা জাতীয় পার্টি (জাফর) ও বিকল্পধারা বাংলাদেশ। কাজী জাফর কর্মসূচি সফল করতে আগামীকাল বিকালে কর্মিসভার ডাক দিয়েছেন।

Wednesday, October 9, 2013

বংলাদেশের নির্বাচন

৪৫ দিনের অন্তর্বর্তী সরকার’
বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৩

অনলাইন ডেস্ক: : ৩ মাসের বদলে ৪৫ দিনের অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হবে। এবং এই সরকারই সংবিধান মোতাবেক নিবার্চন সম্পন্ন করবে। এমন কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বলেছেন, নির্বাচন হবে। আর তা যথা সময়েই হবে। মাল মুহিত বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তৃতা করছিলেন। এসময় তিনি বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন। বলেন, তিনি দুইবারের প্রধানমন্ত্রী। অথচ একবারও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারেননি। তাই ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে না’- এমন কথা তার মুখে মানায় না। তিনি তাকে আয়নায় নিজের চেহারা দেখার পরামর্শ দেন। অর্থমন্ত্রী আগামী জাতীয় নির্বাচনে নিজের অংশগ্রহণের আগ্রহের কথা জানান। বলেন, আবারও আগামী নির্বাচনে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। ২৪ শে অক্টোবরের পর রাজপথ দখলে নামবে বিএনপি- এমন হুমকি উড়িয়ে দেন তিনি। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, বিএনপি যা বলছে তার কিছুই হবে না। তারা কিছুই করতে পারবে না। যত গর্জে তত বর্ষে না। তিনি গ্রামীণ ব্যাংক অতীতের চেয়ে এ মুহুর্তে অনেক ভালোভাবে চলছে বলে দাবি করে বলেন, ড. ইউনূসকে একটা সম্মানজনক পদ আমরা দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি নিজেই বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। বোর্ড সভা থেকে বের হয়ে যেয়ে মামলা করেছেন।

Tuesday, October 8, 2013

World Breaking News: ভারতের চক্রান্তে উদ্বিগ্ন গার্মেন্ট মালিকরা

World Breaking News: ভারতের চক্রান্তে উদ্বিগ্ন গার্মেন্ট মালিকরা: http://nameofsenary.blogspot.com/ বাংলাদেশের পোশাক খাত দখলে ভারতের চক্রান্তে উদ্বিগ্ন দেশের গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা। তারা জানিয়েছেন, পূর্বে...

ভারতের চক্রান্তে উদ্বিগ্ন গার্মেন্ট মালিকরা


http://nameofsenary.blogspot.com/বাংলাদেশের পোশাক খাত দখলে ভারতের চক্রান্তে উদ্বিগ্ন দেশের গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা। তারা জানিয়েছেন, পূর্বের তুলনায় বর্তমানে এই চক্রান্ত আরও গভীর হয়েছে। তাই তাদের উদ্বেগও বেড়েছে যা ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যেই স্বীকার করছেন।
গার্মেন্ট মালিকরা জানিয়েছেন, দেশের ২০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি শিল্প গার্মেন্ট খাতের ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করেছে প্রতিবেশী দেশটি। এ দেশীয় এজেন্টদের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছে শ্রমিক অসন্তোষ। পাশাপাশি তীব্র আক্রমণ করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে। এই খাত ধ্বংসের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদেরও। আর পরিকল্পিতভাবে ভারতীয় রুপিরও অবমূল্যয়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বাজার ভারতের দখলে চলে যাচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজেএমইএ) সভাপতি আতিকুল ইসলাম। এ কারণে গার্মেন্ট ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের কথাও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির অবমূল্যায়ন করায় ক্রেতারা ভারতে চলে যাচ্ছে। এটা আমাদের পোশাক শিল্পের জন্য মারাত্মক হুমকি। এজন্য তিনি ডলারের বিপরীতে টাকার বিশেষ বিনিময় মূল্য বেধে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ভারতের রুপির অবমূল্যায়নের কারণে দেশের গার্মেন্ট শিল্পে প্রবৃদ্ধি কয়েক মাসে বেশ কমে গেছে বলে দাবি করেন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেছেন, রুপির বিপরীতে ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই শিল্পের প্রবৃদ্ধি গত কয়েক মাসে বেশ কমেছে। আগে যেখানে প্রবৃদ্ধি হতো ১০ থকে ১৫ শতাংশ, তা গত কয়েক মাসে হয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। তিনি বলেন, আমি সরকারের কাছে এই শিল্পের উন্নয়নের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি, যাতে করে ডলারের বিশেষ মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
ভারতের রুপির অবমূল্যায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি দেশ তাদের পলিসি অনুযায়ী কাজ করে। ভারতেরও নিজস্ব রপ্তানি পলিসি রয়েছে। এছাড়া ভারত ‘টেক্সটাইল জায়ান্ট কান্ট্রি’। তাদেরকে ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। তাদের এই খাত নিয়ে পরিকল্পনাও অনেক বড়। তারা তদের পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ করছে। আমাদের উচিত আমাদের কার্যপরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগুনো। তিনি বলেন, রুপির ২৭ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েছে। টাকার মান ৮ শতাংশ বেড়েছে। এতে ভারত ৩৫ শতাংশ বেশি সুবিধা পাচ্ছে। ভারত তার ১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে।
বাংলাদেশ এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশন (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী কয়েকদিন আগে বলেছেন, সম্ভাবনাময় পোশাক শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে। কেবল পোশাকশিল্প মালিকরা উদ্যোগ নিলেই এই শিল্পকে ধরে রাখা যাবে এটা ঠিক না। আমাদের অনেক ক্রেতাই ভারতের দিকে ঝুঁকছে। বর্তমানে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। তিনি বলেন, বেতন ভাতা পরিশোধ রয়েছে এমন গার্মেন্টও শ্রমিক অসন্তোষ হয়। এটা পরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে। কারা এর ইন্ধন দিচ্ছেন তা খুঁজে বের করতে হবে।
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে মনে হচ্ছে নির্বাচনকে সামনে রেখে গার্মেন্ট খাত নিয়ে অনেক ধরনের মেরুকরণ তৈরি হচ্ছে। এটিকে কেন্দ্র করে দেশী-বিদেশী স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন মহল নানাভাবে অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এ কাজে শ্রমিক নামধারী বহিরাগতদের ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজনৈতিক কারণে শ্রমিকদের পুঁজি করে তারা ভোটের রাজনীতি করছেন। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য খাতে শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটি নিয়ে ফলাও করে লেখা হচ্ছে। কিন্তু ওইসব খাতের কোনোটিই নিয়মিত নয় এবং সারাবছর ধরে চলে না। গার্মেন্ট খাত একটি নিয়মশৃংখলার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়। তাই চাইলেই এক লাফে অনেক মজুরি বাড়িয়ে দেয়া যায় না। আমরা চাই একটি সিস্টেমের মধ্য দিয়ে শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে।
ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্সের (এনএসআই) শিল্প বিভাগের এক কর্মকর্তা ইনকিলাবকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প দখলে নিতে ভারতের একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ইতোমধ্যে পরিকল্পিতভাবে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করে এই শিল্পকে রুগ্ন বাননো হচ্ছে। আর রুগ্ণ শিল্পগুলোর মালিকানা ভারতীয়রা নিয়ে নিচ্ছে। আর দক্ষ টেকনিশিয়ানের নামে ইতোমধ্যেই আড়াই হাজার ভারতীয়কে দেশের পোশাক খাতে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এরা কারখানাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এছাড়া এই খাতের অর্ধেকের বেশি বাইং হাউজের মালিক ভারতীয় নাগরিক।
এদিকে এই খাত ধ্বংসে প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছেন সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর নৌপরিবহণ মন্ত্রী শাহজাহান খানের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ থেকে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন ন্যূনতম ৮ হাজার টাকা করার দাবি জানানো পর থেকে শুরু হয় চলমান শ্রমিক অসন্তোষ। সে সমাবেশে ঘোষণা আসে, ৮ হাজার টাকা বেতন না পেলে গার্মেন্টে একটি মাছিও ঢুকবে না। দাবি মানা না হলে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হয়। তিনি বলেন, জীবন দেব তবু শ্রমিকদের দাবির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবো না। রক্ত দেব তবু শ্রমিকদের দাবি থেকে পিছু হটবো না।
এর পরদিন থেকে শুরু হয় গাজীপুর টাঙ্গাইল কালিয়াকৈর, নারায়ণগঞ্জসহ গার্মেন্ট এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ ভাংচুরও অস্ত্রলুটের ঘটনা। শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩ হাজার ৬শ টাকা ঘোষণা দেয়ার পর এই অসন্তোষের ঘটনা ঘটে। বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মজুরী এর চেয়ে বেশি বাড়ানো সম্ভব নয়। তাহলে তাদের ব্যবসা ছেড়ে দিতে হবে। কারন, একজন গার্মেন্ট মালিক কাপড় ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য আমদানি করে তার সঙ্গে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ দাম যোগ করে বিক্রয় করতে পারেন। এই ২০ শতাংশ থেকেই তাকে শ্রমিকের বেতন, ভবন ভাড়া, বিল আর স্থানীয় মাস্তানদের চাঁদার সংস্থান করতে হয়। এর মধ্য থেকেই তাকে লাভ বের করে নিতে হয়। আর ওই ক্রেতা পোশাকের দাম ৪ থেকে ৮ গুণ বাড়িয়ে বিক্রি করেন ভোক্তার কাছে। আবার একটি পোশাকের উৎপাদন খরচের ৮০ ভাগই নিয়ন্ত্রণ করেন ক্রেতা প্রতিষ্ঠান। কারণ ওই প্রতিষ্ঠানের নিজের বা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকেই কাপড় ও আনুসাঙ্গিক সামগ্রি কিনে আনতে হয়। এসব ক্রেতা প্রতিষ্ঠান দুই দিক থেকে বিশাল অঙ্কের লাভ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়ার্কার রাইটস কনসোর্টিয়াম (ডব্লিউআরসি) নামের একটি প্রতিষ্ঠান তাদের এক বিশ্লেষণে দেখিয়েছে, প্রতিটি পোশাকে মাত্র দশ সেন্ট বাড়িয়ে দিলেই বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্পকে বিশ্বমানের করা সম্ভব।
ন্যূনতম মজুরী প্রসঙ্গে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদি ইনকিলাবকে বলেন, এটি নির্ভর করে আন্তর্জাতিক বাজার, প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এসব বিষয়ের ওপর। শ্রমিকদের বেতন বাড়লে আমরা খুশি হই- তবে সেটা হতে হবে বাস্তবসম্মত। তা না হলে অনেক প্রতিষ্ঠানই টিকতে পারবে না। ওয়েজবোর্ড যেটা ঘোষণা দেবে আমরা সেটাই বাস্তবায়ন করবো।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ তুলেছেন, ক্ষমতাসীন দলের একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশী-বিদেশী চক্র গার্মেন্ট সেক্টর ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে। এই সেক্টর দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে, দেশের অগ্রগতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। অথচ এই সেক্টরটি বন্ধ করতে, ধ্বংস করতে দেশী-বিদেশী চক্র উঠে পড়ে লেগেছে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।
এদিকে আন্তর্জাতিক মিডিয়াকেও লাগিয়ে দেয়া হয়েছে দেশের পোশাক খাতের বিরুদ্ধে। তারা প্রতিবেদন ও সম্পাদকিয় করছে বাংলাদেশের গার্মেন্ট শ্রমিক শোষণের। শ্রমিকদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে ২৬ সেপ্টেম্বর ‘ফেডআপ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্পাদকিয় লিখেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। এছাড়া বিবিসি’ও শ্রমিকদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে সংবাদ প্রচার করছে। অথচ এরা বলছে না, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের বাড়তি দামে বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনতে। অথচ আন্তর্জাতিক ক্রেতারা প্রতিট পোশাক ৪ থেকে ৮ গুণ পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করে। বাংলাদেশ থেকে একটি পোশাক ১০০ ডলারে কিনলে সেটি ইউরোপ-আমেরিকার দোকানে বিক্রি হয় ৪শ থেকে ৮শ ডলারে। বিপুল অঙ্কের লাভ করলেও এদের বাড়তি দাম দেয়ার জন্য চাপ না দিয়ে উল্টো বাংলাদেশের গার্মেন্ট মালিকদের ওপর চাপ দিচ্ছে। বাংলাদেশের গার্মেন্ট খাত ধ্বংশের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তারা এসব কাজ করছে।
তৈরি পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন, পোশাকশিল্প ধ্বংসে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দেশীয় ও বিদেশী গণমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে, যা এই শিল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং এই শিল্পের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। বাংলাদেশ  তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়ার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস সমিত (বিটিএমএ) যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
গার্মেন্টসেক্টরর গুরুত্বপূর্ণ পদে অনেক ভারতীয় নাগরিকরা রয়েছেন এ বিষয় স্বীকার করে বিকেএমইএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম জানান, বিভিন্ন সংকটের কারণে যে শিল্পগুলো রুগ্ন হয়ে পড়েছে তার বেশির ভাগ মালিকানা ভারতীয় নাগরিকরা নিয়ে নিয়েছেন। তবে শুধু ভারতীয়রা নয় অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও মালিকানা নিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দক্ষ শ্রমিকের সংকটের কারণে বিদেশীরা এ সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই ভারতীয় নাগরিক বলে তিনি স্বীকার করেন।
এভাবে পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করে ইতোমধ্যে এসকিউ, ক্রিস্টাল, মাস্টার্ড, হলিউড, শান্তা, রোজ, ফরচুনা, ট্রাস্ট, এজাক্স, শাহরিয়ার, স্টারলিং ও ইউনিয়নের মতো গার্মেন্টগুলো ক্রয় করে নিয়েছে ভারতীয় নাগরিকরা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বর্তমানে বিজিএমইএ’র তালিকাভুক্ত বায়িং হাউজের সংখ্যা ৮৯১টি। এর বাইরে আরো কয়েকশ বায়িং হাউস আছে। বায়িং হাউজগুলোর ৬০ থেকে ৭০ ভাগই নিয়ন্ত্রণ করেন ভারতীয় নাগরিকরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরীর অভিজাত এলাকাগুলোতে বাড়ি ভাড়া নিয়ে বায়িং হাউজের রমরমা ব্যবসা করছেন তারা। বিভিন্ন সময় পর্যটক হিসেবে এরা বাংলাদেশে এলেও আর ফিরে যান না। বিদেশী বায়ারদের হাতে নিয়ে তারা এক রকম জিম্মি করে ফেলেছেন বাংলাদেশের পোশাক খাতকে।
বিনিয়োগ বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, গত কয়েক মাসে ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশের ৩৫টি তৈরি পোশাক কারখানায় ৮ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশে কারখানা খুলে বসা ভারতের উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে শাহী এক্সপোর্টস, হাউজ অব পার্ল ফ্যাশনস, জে জে মিলস, আমবাত্তুর ক্লথিং ইত্যাদি।
কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক ডি কে নায়ার ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের শ্রম ব্যয় এক-তৃতীয়াংশ। ভারতে একেকজন শ্রমিকের মাসিক মজুরি গড়ে ৭ হাজার রুপি। সেখানে বাংলাদেশের ব্যয় হচ্ছে আড়াই হাজার রুপির মতো। নায়ার জানান, ইতোমধ্যে ৩৫টির বেশি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তাদের কারখানা খুলেছে।
পশ্চিমবঙ্গের একটি সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। অন্যদিকে চীন শ্রমঘন খাত থেকে সরে আসছে। বর্তমানে চীন ভারতের চেয়ে ১০ গুণ বেশি রপ্তানি করে। এর ১০ শতাংশও যদি ভারতে আসে, তাহলে আমাদের তৈরী পোশাক রপ্তানি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। অন্যদিকে তৈরী পোশাক খাতে চীনের ছেড়ে দেয়া বাজার ধরার সামর্থ্য রাখে একমাত্র বাংলাদেশ। কিন্তু খাতটিতে অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকলে এর সুযোগ নিতে চাইবে অন্য দেশগুলো। এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে ভারত। ভারত সামর্থ্য বাড়াতেই পারে। তবে এটাও ঠিক, বিদেশী ক্রেতারা খুব সহজেই বাংলাদেশ ছেড়ে যাবে না। শ্রম সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সামলাতে পারলে বাংলাদেশ খুব সহজেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে। বিজিএমইএ’র নির্বাচিত এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তৈরী পোশাকশিল্পে বাংলাদেশের দুর্বলতার সুযোগ যেকোন  দেশই নিতে চাইবে। ভারতের সামর্থ্যই এক্ষেত্রে বেশি। সাম্প্রতিক দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো অনেক বেশি নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছে; যা বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।
ওদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ৩৭ শতাংশ তৈরী পোশাক রপ্তানি করে এ খাতে শীর্ষে রয়েছে চীন। ৫ শতাংশ রপ্তানি করে এর পরের অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে শ্রমঘন শিল্প থেকে সরে এসে হাইটেক ও সংবেদনশীল পণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে চীন। এটা ধরার চেষ্টায় রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত।

বিস্ময়কর শিলালিপি

সুবাহানাল্লাহ ! !

সারে চার হাজার বছর আগে শিলালিপিতে নবীদের নামের লিস্ট এর একটি খণ্ড 


Monday, October 7, 2013

আলেমদের রুখতে সরকারের অপচেষ্টা

  ভাড়াটিয়া বুদ্ধিজীবী এনে বাংলাদেশকে ইসলাম শূন্য করার পাঁয়তারা সফল হবে না-মুসলিম যুবশক্তি

দুর্নীতি, দুঃশাসন ও গণতন্ত্রকে বাক্সবন্দী করে সরকার যখন জনধিক্কারে পর্যুদস্ত, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সরকারের পতন অবশ্যম্ভাবী, এমতাবস্থায় দেশ-বিদেশের বৈদ্য ডেকে এনে বাঙালীকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছে তারা। ভারতের বিখ্যাত ইসলামবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবী মুশিরুল হাসানকে দিল্লী থেকে ডেকে এনে সেক্যুলার সমাজের গুণগান করানো হচ্ছে, অথচ সেক্যুলার ভারতে প্রতি ১০ সেকেন্ডে ১টি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বড় বড় সেমিনার ও কনভেনশন ডাকা হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। এটি নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্মবিদ্বেষী শক্তিকে সহায়তাদানের ভারতীয় প্রকল্প চালু করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করারই ষড়যন্ত্র। এক্ষেত্রে বিশাল ব্যয়ের টাকা কোন ভূতে জোগান দিচ্ছে তা খুঁজে বের করতে হবে। গতকাল এক বিবৃতিতে জাতীয় মুসলিম যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মোসাদ্দেক বিল্লাহ এসব কথা বলেন।
তিনি অসাম্প্রদায়িকতার নামে যারা বাংলাদেশকে ইসলাম শূন্য করতে চায় তাদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির প্রবাদভূমি বাংলাদেশকে যারা অস্থিতিশীল করতে চাইছে তারা বাংলাদেশের মানুষের শ্রত্রু। সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতার বিষমালা দালালী করে বাংলাদেশকে এরা ধ্বংস করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের মুসলমান কখনো এদের স্বপ্ন পূরণ হতে দেবে না। বাংলাদেশ ইসলামী মূল্যবোধ ও সমাজব্যবস্থা বজায় রেখেই চলবে। যৌনতা, মাদক, সন্ত্রাস ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতার বিষে আক্রান্ত হবে না। যারা দিল্লী থেকে এসে বাংলাদেশের মানুষকে উপদেশ দিচ্ছেন, তাদের আয়নায় নিজের মুখ দেখতে বলব। বাংলাদেশের ইসলামবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবীদের বলতে চাই, আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাস, রাজনীতিতে হানাহানি, দুর্নীতি, ঘুষ, মাদকদ্রব্য ও সর্বগ্রাসী অপরাধ বন্ধ করুন, এরপর আপনারা মহান ইসলামের নাম মুখে নেবেন। অসুস্থ মন ও অপবিত্র মুখে ইসলাম, মসজিদ, মাদ্রাসা, আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ সম্পর্কে মন্তব্য করা শোভনীয় নয়। বিদেশিদের হালুয়া রুটি খেয়ে বাংলাদেশে বসে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে কায়দা করে ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা বলার ফল ভাল হবে না। দেশের মানুষ এখন সব বোঝে। সময় মত দালালদের শায়েস্তা করতে তারা পিছপা হবে না। -

Sunday, October 6, 2013

Plastic ingredient on Saturn's moon Titan!

NASA's Cassini spacecraft has found propylene, a chemical used to make household plastic containers, on Saturn's moon Titan, the space agency said.


"This is the first definitive detection of the plastic ingredient on any moon or planet, other than Earth," NASA said.

A small amount of propylene was identified in Titan's lower atmosphere by Cassini's composite infrared spectrometer, which measures heat radiation, the agency reported in Monday's edition of the Astrophysical Journal Letters.

By isolating the same signal at various altitudes within the lower atmosphere, researchers identified the chemical's unique thermal fingerprint with a high degree of confidence, NASA said.

"This chemical is all around us in everyday life, strung together in long chains to form a plastic called polypropylene," said Conor Nixon, a scientist at NASA's Goddard Space Flight Center in Greenbelt, Maryland, and lead author of the paper.

"That plastic container at the grocery store with the recycling code 5 on the bottom - that's polypropylene."

The chemical is also used to make car bumpers and other consumer products.

The discovery could help scientists understand the "chemical zoo" that makes up Titan's hazy brownish atmosphere, said Scott Edgington, Cassini's deputy project scientist at NASA's Jet Propulsion Laboratory in Pasadena, California.

The Cassini-Huygens mission is a cooperative project of NASA, the European Space Agency and the Italian Space Agency.ehreuters

Eid-ul-Azha on Oct 16

Eid-ul-Azha on Oct 16

The National Moon-Sighting Committee made the decision at a meeting on Sunday evening at the office of the Islamic Foundation in the national mosque, Baitul Mukarram.

Islamic Foundation's Director General Samim Md Afzal said they had received news of moon sighting from Gaibandha and Thakurgaon.

The National Moon-Sighting Committee made the decision at a meeting on Sunday evening at the office of the Islamic Foundation in the national mosque, Baitul Mukarram.

Islamic Foundation's Director General Samim Md Afzal said they had received news of moon sighting from Gaibandha and Thakurgaon.

He presided over Sunday's meeting as State Minister for Religious Affairs Shahjahan Miah is in Saudi Arabia performing the Hajj.

Countries in the Middle East including Saudi Arabia will celebrate Eid-ul-Azha on Oct 15, as the moon was sighted there on Saturday.

Eid-ul-Azha commemorates the willingness of Prophet Ibrahim to follow Allah's command to sacrifice his son Ismail. People now sacrifice animals.

The day of Arafat, labelled as the most important day of the pilgrimage, will land on Oct 14, according to Saudi Arabia’s announcement, reports Al Arabia.

It falls on the 10th day of Zil-Hajj, marking the end of Hajj.

There are three government holidays before and after the Eid. This year, the weekly holidays (Friday and Saturday) have been added to it.

Hindus will celebrate Bijoya Dashami of Durga Puja on Oct 14, which is a public holiday.

Friday, October 4, 2013

SQ CHY VERDICT DRAFT LEAK

2 tribunal employees, defence lawyer’s assistant involved
Say detectives; case filed; one employee held; documents, defence lawyer's computers seized

Investigators have identified two war crimes tribunal employees and a defence counsel’s assistant as suspects for leaking the verdict draft of BNP leader Salauddin Quader Chowdhury’s case.

The detectives meanwhile filed a case against the three and several other unnamed people under the Information and Communication Technology Act. One of the employees of the tribunal has already been detained.

The law enforcers on Friday afternoon raided the chamber of the defence counsel, Fakhrul Islam, and seized documents and his personal computers.

Two employees of International Crimes Tribunal, one assistant of the defence lawyer and several others were involved in leaking the draft of the verdict before the court delivered it on Tuesday, Monirul Islam, joint commissioner of Dhaka Metropolitan Police, said Friday.

He said the two employees did the leak through a portable computer device [USB] from the tribunal’s computers in exchange of money and later the defence lawyer’s assistant sent it abroad by e-mail to upload online.

Detective Branch of police suspected war criminal SQ Chowdhury’s men were behind the conspiracy to taint the image of the tribunal and make the verdict controversial.

Tribunal employee Nayon Ali, a sweeper and Fakhrul Hossain, an office assistant of the tribunal and Mehedi Hasan, an assistant of SQ Chowdhury’s lawyer Fakhrul Islam were among several others involved in leaking the draft, said Monirul Islam while briefing the press.

The detectives on Friday filed the case with Shahbagh Police Station accusing the trio and several unnamed others. They arrested Nayon on Friday while the rest accused were on the run. A source in DB preferring anonymity said Fakhrul is also under DB custody for interrogation.

Advocate Fakhrul Islam told The Daily Star that the detectives accompanied by Rab and police raided his chamber at Kakrail in the capital around 2:30pm.

During the one-and-half-an-hour drive, the law enforcers broke open the lawyer’s chamber on the first floor of the building and seized several documents including the certified copy of the judgment on SQ Chowdhury and his personal computers, he said.

Fakhrul, a resident of Dhanmondi, added that he was not present but his caretaker was there during the raid.

A 164-page document, which did not contain judges’ observations or the sentence, was found online on Monday night with claims that a draft verdict had been leaked.

The Detective Branch of police began an investigation after AKM Nasiruddin Mahmud, registrar and spokesman of International Crimes Tribunal (ICT), filed a general diary with Shahbagh Police Station in connection with the leak.

On Tuesday, ICT-1 awarded the BNP leader the death sentence for committing crimes against humanity and genocide in Chittagong during the Liberation War in 1971.

Immediately after the pronouncement of the verdict, his family members and defence lawyers told the media that the verdict had been available in a few websites before the tribunal delivered it.

They also alleged that the draft verdict had been retrieved from a computer of the law ministry and that it was written by the ministry itself.

ICT the following day confirmed that an organised vested group had leaked parts of the draft verdict from the tribunal and uploaded it on the internet to make the war crimes trial controversial.

Thursday, September 12, 2013

ON THE BRINK OF CATASTROPHE








Oishee challenges bail denial order



Oishee Rahman, an accused of murdering her own parents, on Thursday challenged the legality of her bail rejection order that was passed by the Court of Metropolitan Sessions Judge in Dhaka.
Judge Md Zahirul Haque of the Court of Metropolitan Sessions Judge fixed October 1 for hearing on the bail petition after
Mahbub Hassan Rana, a counsel for Oishee, submitted it against the rejection order.
Metropolitan Magistrate Md Erfan Ullah on September 5 rejected her bail petition stating that the investigation was at a primary stage and that she had confessed to the crime.
Special Branch of police inspector Mahfuzur Rahman and housewife Swapna Rahman were found murdered at their Chamelibagh residence in the capital on August 16.
Their daughter Oishee surrendered to Paltan police in this connection 22 hours later.
She confessed to the killing before a Dhaka court on August 25.
The High Court on Wednesday asked the government to send Oishee, who is now around 19 years old according to a medical test, to Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University for a detailed and in-depth examination of her metal state.

ফেসবুকের 'লাইক' বিক্রি, প্রতারণার নতুন কৌশল



ফেসবুকের 'লাইক' বিক্রির নামে প্রতারণায় নেমেছে একটি সাইবার ক্রিমিনাল চক্র। তাদের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হচ্ছেন ফেসবুক ব্যবহাকারী, পেইজ অ্যাডমিনসহ বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের পেজ অ্যাডমিনরা। প্রতিনিয়ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে চক্রগুলো হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। প্রশাসনিকভাবে প্রতিরোধ করতে না পারার ফলে অনলাইনে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে কথিত 'লাইক বিক্রিকারী' প্রতারকরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ফেসবুকে কথিত 'লাইক বিক্রিকারী' কয়েকশ পেজ গড়ে উঠেছে। কথিত লাইক বিক্রিকারী পেজ অ্যাডমিনরা ফেসবুক ব্যবহারকারী, পেইজ অ্যাডমিন, ব্যবসায়িক পেজ এবং বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের অ্যাডমিনদের 'লাইক' কেনার জন্য মেসেজ বা নিজস্ব ওয়ালে পোস্ট দিয়ে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। ওই পোস্ট বা মেসেজে প্রতি 'কে' (হাজার) লাইক দুইশ' থেকে চারশ' টাকা দরে বিক্রি করার প্রস্তাব দেয়া হয়। কোনো পেজ অ্যাডমিন লাইক কিনতে আগ্রহী হলে নির্ধারিত টাকার অর্ধেক বিকাশ করতে বলা হয়। টাকা বিকাশ করার পর ক্রেতার পেইজ বা ওয়েব সাইডে লাইক না দিয়ে ওল্টো তার ফেসবুক আইডি ও মোবাইল নাম্বার ব্লক করে দেয়া হয়। যাতে লাইক ক্রয়কারী ব্যক্তি কথিত ওই বিক্রেতার সাথে আর যোগাযোগ করতে না পারে।

ফেসবুকে লাইক কিনতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন একটি চ্যারিটি অর্গানাইজেশনের পেজ অ্যাডমিন আহমেদ নাসিফ। তিনি প্রতারিত হওয়ার বিষয়ে বলেন, এক রাতে ফেসবুকে নিউজ ফিড চেক করছিলাম। হঠাৎ নজর পড়ল 'বাংলাদেশ পেজ অ্যাডমিন' (Bangladeshi Page Admin) নামে গ্রুপের একটি পোস্টের ওপর। পেজের ওয়ালে আশিক আহমেদ নামে একজন পেজ অ্যাডমিন পোস্ট করল- লাইক বিক্রি করবো। সত্যিকারের ক্রেতারা যোগাযোগ করুন। এ পোস্ট দেখার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। যোগাযোগের একপর্যায়ে আশিক লাইক বিক্রি করার প্রস্তাব দিলে তা গ্রহণ করি। লাইক কিনতে অগ্রিম কিছু টাকাও বিকাশ করি। টাকা বিকাশ করার পর আশিক লাইক তো দেয়নি, উল্টো ফেসবুকে আমাকে ব্লক করে দিয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সন্তোষ চাকমা বলেন, 'লাইক বিক্রির করার নামে প্রতারণা করেছে এমন একটি মৌখিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি। প্রতারণা এ বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। এ চক্রের পেছনে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।'

সাইবার ক্রাইম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতার। ফেসবুক লাইক প্রতারণার বিষয়ে তিনি বলেন, 'কিছু কিছু সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ করার মত সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে। ফেসবুকে লাইক বিক্রির নামে যারা প্রতারণা নেমেছে তাদের বিষয়ে তথ্য নেয়া হচ্ছে।'

Wednesday, September 11, 2013

পর্তুগালের বিপক্ষে ব্রাজিলের দাপুটে জয়

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে ব্রাজিল।

আজ বুধবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ৩-১ গোলের বড় জয় সেলেসাওদের।

১৮ মিনিটে মেইরেলেসের গোলে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। তবে ছয় মিনিট পরই থিয়াগো সিলভা সমতায় ফেরান। নেইমারের দুর্দান্ত গোলে ২-১ ব্যবধানে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় ব্রাজিল।

আর ৫০মিনিটে শেষ গোলটি আসে জোর পা থেকে।

Monday, August 26, 2013

নদী ভাঙনে বদলে যাচ্ছে মানচিত্র

http://nameofsenary.blogspot.com/সময়ের এক ফোঁড়, আর অসময়ের দশ ফোঁড়’-এটা প্রবাদ। দেশের নদী ভাঙন ঠেকাতে অসময়ে যে কাজ চলছে তা এই প্রবাদের কথাই মনে করিয়ে দেয়। শুষ্ক মৌসুমে নদী ভাঙন রোধে যেসব জায়গায় কাজ করার কথা, সেসব জায়গায় কাজ হয়নি। রাজনৈতিক বিবেচনায় বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেয়া হলেও তার সুফল জনগণ পায়নি। অথচ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ আটকে গেছে অর্থের অভাবে। ফলে বর্ষায় তীব্র নদী ভাঙন দেখা দেয়ায় বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি, বসতবাড়ি, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্রিজ-কালভার্টসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। অন্যদিকে, সীমান্ত নদী ভাঙনে দেশ হারাচ্ছে মূল্যবান ভূ-খন্ড। এতে করে বদলে যাচ্ছে দেশের মানচিত্র। জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় তিস্তা, ধরলা, ইছামতি ও পদ্মার ভাঙন এতটাই তীব্র যে এটা সামাল দেয়া না গেলে বাংলাদেশ এই বর্ষায় শত শত একর জমি হারাবে। যা বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে দেশের মানচিত্রের ওপর। যৌথ নদী কমিশনের তথ্যানুযায়ী, সীমান্ত নদী ভাঙনে হারিয়ে যাওয়া এসব ভূমি ভারতীয় অংশে জেগে উঠলে তার ওপর বাংলাদেশের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। বরং ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি মোতাবেক সীমান্ত নদী যত বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করবে-ভারত ততই লাভবান হবে। এই চুক্তি মোতাবেক সীমান্ত নদীর মধ্য  স্রোতে হবে দু’দেশের সীমানা।
সরকারের পক্ষ থেকে উন্নয়নের ব্যাপক প্রচারণা চালানো হলেও নদী ভাঙন থেকে মানুষের জমি, বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার তেমন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ধুঁকছে অর্থাভাবে। অর্থের সংস্থান না থাকায় অনেক ঠিকাদার কাজ করার আগ্রহ পর্যন্ত হারিয়ে ফেলছেন। সংসদ সদস্যদেরও নানা অভিযোগ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওপর। তাদের মতে, প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ধরনা দিতে দিতে সরকারের মেয়াদই শেষ হয়ে গেছে। এরপরও কেউ সঠিক কথা বলছেন না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের কাছে গেলে তিনি বলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সব জানেন। সচিবের কাছে গেলে তিনি জানান, পানি সম্পদ মন্ত্রীর কাছে যান। আর মন্ত্রীর কাছে ধরনা দিলে জানানো হয়- প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বরাদ্দ না আসলে কিছুই করার নেই। এমন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কি একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য শোভা পায়? এমন প্রশ্ন রেখেছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ বিশ্বাস। তারমত একাধিক সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু প্রকল্প। আর সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এসব প্রকল্প ভোট যুদ্ধে ইস্যু হয়ে দেখা দেবে।
নদী ভাঙন সবচেয়ে তীব্র হয়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলে। বিশেষ করে লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। এছাড়াও চাঁদপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, খুলনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বড়গুনা, বরিশাল ও সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকাও ভাঙছে ব্যাপকভাবে। শুষ্ক মৌসুমে ভারত পানি দিতে না পারলেও বর্ষায় ভারত বিভিন্ন সীমান্ত নদীতে দেয়া বাঁধের গেট উন্মুক্ত করে দেয়ায় এবার সীমান্ত নদী ভাঙন আরও প্রকট হয়েছে। ‘তিস্তা’ নদীর পানি ভাগাভাগি নিয়ে গত পৌনে পাঁচ বছরেও বাংলাদেশ ভারতের সাথে কোন ধরনের চুক্তিতে উপনিত হতে পারেনি। এই নদীর পানি ভাগাভাগির কথা উঠলেই ভারত বরাবরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জির প্রসঙ্গ টেনে চুক্তি থেকে দূরে থেকেছে। মমতাও এর সুযোগ নিয়েছে ষোল আনাই। আর সে কারণেই শনিবার মমতা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখেছেন, ‘তিস্তা ও সীমান্ত চুক্তি নিয়ে এত তাড়াহুড়া কিসের?’ মমতার এই বক্তব্য অসৌজন্যমূলক এবং বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক। অথচ বাংলাদেশ সরকার ভারতের জন্য অনেক কিছুই করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে, সন্ত্রাস দমনের নামে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর বিদ্রোহ দমনে বাংলাদেশকে ব্যবহারের অনুমতি; করিডোর, ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা প্রদান; চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অনুমতি, ইছামতির ওপারে ২৪ কিলোমিটার নদী খননের অনুমতি, ফেনী নদী থেকে ভারি পাম্প ব্যবহার করে পানি উত্তোলনের অনুমতি, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ত্রিপুরায় খাদ্য নিয়ে যাওয়া, ত্রিপুরায় এক হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভারি যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি প্রদানসহ ভারত যা যা চেয়েছে তার সবকিছুই দেয়া হয়েছে। বিনিময়ে তিস্তা নদীর ভাঙন নিয়ে বাংলাদেশকে কষ্ট পেতে হচ্ছে।
জানা গেছে, সীমান্ত নদী তিস্তা ও ধরলার ভাঙনে কুড়িগ্রামের সুবারকাঠি, জলখানা, ফকিরের হাট, মোগলবাঘা, হেমেরকুঠি, দলদলিয়া, গোনাইঘাট, কোনাইগাছ ও কাকতৈলসহ বিভিন্ন এলাকা ব্যাপক ভাঙনের কবলে পড়েছে। তিস্তার ভাঙনে রংপুরের শৈলমারি, সাঙ্গেরপার, টিলাখাল, বাগডুগড়া, বিজয়বাগ ও মহিপুর এলাকায় চলছে তীব্র ভাঙন। গাইবান্ধা জেলার গবিন্দী, রতনপুর, বাগুড়িয়া, ফুলছড়ি ও গণকবর এলাকায় ভাঙন এতটাই তীব্র হয়েছে যে, স্থানীয় এলাকাবাসী পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওপরও ক্ষোভ প্রকাশ করছে। এসব জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকতারা জানান, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে। অর্থ সঙ্কটের কারণে ভাঙন প্রতিরোধের সাময়িক কাজও করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক এলাকায় ঠিকাদাররা আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কথার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। ফলে তারা ভাঙন প্রতিরোধে নতুন করে অর্থ ঢালতে নারাজ।
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা রাজশাহীর চরখিদিরপুর ও চরখানপুরের। এখানে খিদিরপুরে বিজিবি ক্যাম্প ভেঙে নদী গর্বে চলে গেছে। আর চরখানপুরের বিজিবি ক্যাম্পটি রক্ষার প্রাণান্ত প্রচেষ্টা চলছে। স্থানীয় পাউবো কর্মকর্তা জানান, পদ্মার ভাঙন এতটাই তীব্র যে চরখানপুরের ক্যাম্পটি রক্ষা করা যাবে কিনা-তা নিয়েও আমরা সন্দিহান। বর্তমানে পদ্মা খিদিরপুরে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র ৩শ’ মিটার দূরে রয়েছে। আর চরখানপুরে সীমান্ত পিলার থেকে নদী ১শ’ মিটার দূরে রয়েছে। রাজশাহীতে পদ্মা নদীর ভাঙন থেকে চরখিদিরপুর বিজিবি ক্যাম্প রক্ষায় ইতিমধ্যে অর্ধকোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। পদ্মার ভাঙন থেকে রাজশাহীর পবা উপজেলার চরখিদিরপুর ও চরখানপুর বিজিবি ক্যাম্প দুটি রক্ষার জন্য পাউবো গত ২৫ জুলাই থেকে ক্যাম্পের পাশে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করে। এ নিয়ে বিজিবি সদস্যদের অভিযোগ, ক্যাম্পটি রক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে অসময়ে। তার পরও ঠিকাদারের লোকজন ঠিকমতো ব্যাগ ফেলতে পারেননি। একদিন তার বালি থাকে না, আরেক দিন ব্যাগ থাকে না। এসব অব্যবস্থাপনার কারণে এই সর্বনাশ ত্বরান্বিত হয়েছে।
নদী ভাঙনরোধে কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া যায়- জানতে চাইলে যৌথ নদী কমিশনের সাবেক সদস্য তৌহিদুল আনোয়ার খান ইনকিলাবকে বলেছেন, সময়ের কাজ অসময়ে করলে নদী ভাঙন রোধ করা যাবে না। তিনি বলেন, সীমান্ত নদী ভাঙন ঠেকাতে সরকার উদ্যোগী না হলে দেশের মানচিত্রে তা বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। তার মতে, সীমান্ত নদী এলাকায় ওপারে ভারতের  পরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ বাংলাদেশ অংশে ভাঙন আরও তীব্র করেছে।
অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক মহাপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান ইনকিলাবকে বলেছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দ বাড়াতে হবে। যাতে করে শুষ্ক মৌসুমে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। তার মতে, শুধুমাত্র বর্ষায় ভাঙন ঠেকাতে অস্থায়ীভিত্তিেেত কিছু কাজ করেই বসে থাকলে চলবে না। শুষ্ক মৌসুমে যাতে স্থায়ীভাবে ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যায়, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ নদী ভাঙনরোধ যেমন সম্ভব নয়; তেমনি সীমান্ত নদী ভাঙনের কবল থেকে দেশের মূল্যবান ভূমি রক্ষা করাও সম্ভব নয়।

Photo of Bangladesh








Saturday, August 24, 2013

মাদকের ভয়াবহতা

লিখেছেন  আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

ছেলেটা ক্লাস এইটে পড়ে। আমি তার সঙ্গে গল্পগুজব করি। একধরনের সখ্য তৈরি হয়। তাকে আমি বলি, ‘তুমি ড্রাগস নিয়েছ কখনো?’
ইংরেজি মাধ্যমে পড়া চমৎকার ছেলেটার মুখে এখনো শৈশবের আভা, বলে, ‘একবার-দুবার। বেশি নিই না।’
‘কী নিয়েছ?’
গাঁজা নিয়েছে সে। কী উপায়ে নিয়েছে, তা সে আমাকে বর্ণনা করে। আমি ব্যাপারটা ঠিক ধরতে পারি না। গাঁজা পুড়িয়ে পানীয়র সঙ্গে মিশিয়ে কীভাবে খায়, আমার ঠিক জানা নেই।
সে বলে, ‘আমাদের ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে তিন ভাগের এক ভাগ নিয়মিত নেশা করে। তিন ভাগের এক ভাগ মাঝে-মধ্যে নেয়। আর তিন ভাগের এক ভাগ আনস্মার্ট, ওরা কখনো নেয় না। ভালো ছাত্র। আমরা ওদের পাত্তা দিই না।’
‘তুমি ওই ভালোর দলে থাকলা না কেন?’
‘আমি কীভাবে থাকব। আমি তো অলরেডি স্পয়েল্ড।’
শুনে একটা বরফের সাপ আমার মেরুদণ্ড বেয়ে নেমে যায়। ক্লাস এইটে পড়ে, কত আর বয়স এদের, ১৩ থেকে ১৫-১৬, এদের ক্লাসের দুই-তৃতীয়াংশ ড্রাগস নিয়েছে? এক-তৃতীয়াংশ নিয়মিতভাবে নেয়?
আমাদের এক অভিনেত্রীকে নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে অনলাইনে। কয়েক বছর আগেও তিনি ছিলেন পর্দার ব্যস্ত তারকা, এখন তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে। সম্প্রতি নিজের একটা ছবি প্রকাশ করেছেন সামাজিক মাধ্যমে, সেই ছবির দিকে তাকানো যায় না। কী চেহারা হয়েছে তাঁর? তিনি লিখেছেন, তিনি ফিরে আসতে চান। কিন্তু পারছেন না।
কত জীবন নষ্ট হয়ে গেল। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন পড়ি, সেই আশির দশকে, আমি যে হলে থাকতাম, সেটা ছিল নেশার আখড়া। গাঁজা থেকে শুরু করে হেরোইন, কী না আসত হলে। কী করে যে নেশারুদের দলের বাইরে থাকতে পেরেছিলাম, এখন নিজেকে ভাগ্যবানই মনে হয়। আমরা অবশ্য মফস্বল থেকে আসা ছেলের দল, আমরা দল বেঁধে গান গাইতাম, টেবিল টেনিস থেকে ফুটবল মাঠ দাবড়ে বেড়াতাম, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপৃত থাকতাম, পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা থাকত, কেউ কেউ টিউশনি করত, আর বেশির ভাগই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে কোনো না কোনোভাবে জড়িত ছিল। টেলিভিশন কক্ষে এইসব দিনরাত্রি প্রচারের সময় তিলধারণের জায়গা হতো না। তেমনি মোহামেডান-আবাহনী, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়েও আমাদের হইহল্লা, মাতামাতি ছিল পাগলপারা। আমরা আসলে ড্রাগসের দলে ঢুকে পড়ার অবকাশটাই পাইনি। শহীদ স্মৃতি হলের তিনতলার বারান্দা থেকে দেখতাম, একটা সুন্দর সাদা গাড়ি এসে থামছে নিচের লনে, রাজহাঁসের মতো। সেখান থেকে বেরোত একজন বুয়েট ছাত্র, লম্বা, ফরসা, দেখতে যেন দেবদূত, তার পরনে হালকা নীল রঙের জিনস, গায়ে সাদা সুতির শার্ট, হাতা গোটানো। ভালো লাগত, খানিকটা ঈর্ষাও হতো। ভিখিরির মতো চৌধুরীদের গেটে দাঁড়িয়ে ভেতরের রাস উৎসব দেখার ঈর্ষা।
ওই ছেলে, একবার এক দীর্ঘ ছুটির সময়, হলের রুমে মরে পড়ে রইল। কয়েক দিন পরে তার লাশ উদ্ধার করা হলো। হাঁ করা মুখে মাছি ভনভন করছে। ছেলেটা নেশা করত।
আমি সেই ছেলেটাকে ভুলতে পারি না।
কয়েক বছর আগের ঘটনা। ঢাকার মোহাম্মদপুরে ঘটল একটা ঘটনা। ক্লাস ফাইভ-সিক্সে পড়ে এক ছেলে। রোজ স্কুলে যায়। স্কুলে যাওয়ার পথে সে পড়ে গেল কুসঙ্গে। নেশা ধরল। বাবা-মা জানেন না। যখন তাঁরা জানলেন, তাঁরা খেপে গেলেন। ছেলেকে আটকে রাখলেন ঘরে। নেশার যন্ত্রণায় ছটফট করা ওই শিশু জানালার কাচ ভাঙল, আর তা ঢুকিয়ে দিল নিজের পেটে। মা বলছেন, আমি নিজের চোখে দেখলাম ছেলে আমার রক্তাক্ত, আমি দৌড়ে গেলাম তাকে উদ্ধার করতে, ভেতর থেকে দরজা আটকানো, আমি কিছুই করতে পারছি না, আমার চোখের সামনে ছেলে মারা গেল। এই বর্ণনা প্রকাশিত হয়েছিল খবরের কাগজে। ধানমন্ডিতে কয়েক বছর আগে ঘটেছিল আরেকটা ঘটনা। এক মা গুন্ডা ভাড়া করেছিলেন তাঁর নিজের সন্তানকে হত্যা করার জন্য। নেশাসক্ত ছেলে মায়ের ওপরে, পরিবারের অন্যদের ওপরে রোজ এতটাই অত্যাচার করত।
এখন সারা বাংলাদেশ নেশার ছোবলে নীল হয়ে যাচ্ছে। কারও কারও মতে, বাংলাদেশে নেশাসক্তের সংখ্যা ৬০ লাখ। তার মানে, প্রতি দুই-তিনটা পরিবারের একটা নেশাসক্ত সদস্য নিয়ে তছনছ হয়ে আছে। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে এই নেশাসামগ্রী বিদেশ থেকে আনার জন্য। সেটা দিয়ে প্রতিবছর কয়েকটা পদ্মা সেতু বানানো যেত।
বলা হচ্ছে, ইয়াবা আসে থাইল্যান্ড থেকে, মিয়ানমার হয়ে। এই বাণিজ্যের সঙ্গে অতিক্ষমতাবান থেকে শুরু করে নিম্নশ্রেণীর মানুষ জড়িত। সহজপ্রাপ্যতা নেশা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ার মূল কারণ।
সেদিন আমার বন্ধু চিত্রপরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী টেলিফোনে আকুতি জানাচ্ছিলেন, আপনারা করছেনটা কী। আপনি জানেন, আজ থেকে দশ-বিশ বছর পরে এই ছেলেমেয়েগুলোর কী দশা হবে? তখন পুরো দেশটার কী হবে?
ইয়াবা ক্ষতি করে মস্তিষ্কের। প্রথম প্রথম না ঘুমিয়ে, অক্লান্ত চেহারা নিয়ে থাকার জন্য ব্যবহূত হয়। দিনে দিনে এর ওপরে নির্ভরতা বাড়ে, তখন ডোজ লাগে বেশি। মেজাজ খিটখিটে হবে, স্মৃতি দুর্বল হবে, যৌন ক্ষমতা চলে যাবে, খিদে থাকবে না, শেষতক মস্তিষ্ক কর্মক্ষমতা হারাবে। অপ্রকৃতিস্থ হয়ে পড়বে আসক্ত ব্যক্তি। হূৎপিণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কিডনি ও ফুসফুস নষ্ট হবে। শেষ পরিণতি হবে মৃত্যু। তার আগে নেশাসক্ত ব্যক্তিটি হয়ে পড়বে এক বোঝা। সে নিজে কিছু করতে পারবে না, আশপাশের লোকদের জীবনকেও দুর্বিষহ করে তুলবে।
আপনার সন্তানকে স্কুলে দিচ্ছেন, কলেজে দিচ্ছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে দিচ্ছেন, সে সেখানে কী করছে আপনি জানেন না। সন্ধ্যায় যাচ্ছে রেস্তোরাঁয়, পেছনের স্মোকিং জোনে ঢুকে কী করছে আপনি জানেন? ঢাকার সিসা লাউঞ্জগুলোয় নিষ্পাপ চেহারার আড়ালে কী হয়, আমরা খোঁজ রাখি? সামাজিক-পারিবারিক মূল্যবোধ বলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকছে না। এবং তারই সূত্র ধরে বাড়ছে অপরাধ। কাগজে লিখেছে, পুলিশকর্তা বলছেন, এখন যত অপরাধী ধরা হচ্ছে, এদের প্রায় সবাই নেশাসক্ত। নেশার কারবারিরা অপরাধ করছে, নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য চুরিচামারি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এখন অবস্থা এই যে মা খুন করাচ্ছেন সন্তানকে, সন্তান খুন করছে বাবা-মাকে। অথচ সমাজে কোনো বিকার নেই। রাষ্ট্র পরিচালকেরা টুঁ শব্দটি করছেন না। পাচারের সঙ্গে নাম আসছে হোমরাচোমরাদের।
সবচেয়ে ভালো তো নিজেকে নিরত রাখা। ‘নিজের দুটি চরণ ঢাকো তবে, ধরণী আর ঢাকিতে নাহি হবে।’ কিন্তু একটা অল্প বয়সী ছেলে বা মেয়ে এই ড্রাগস-সমুদ্রে নিজেকে বাঁচাবে কীভাবে। তার বন্ধুবান্ধব নিচ্ছে, সে বন্ধুদের দলে গিয়ে কী করে বন্ধুদের চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখবে?
আর নেশা শুধু বড়লোকদের ছেলেমেয়েদের সমস্যা নয়। সব বয়সের, সব শ্রেণীর নারী-পুরুষ নেশার দ্বারস্থ হচ্ছে। নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে দেহ বিক্রি করছে। নেশাসক্ত বাবার অত্যাচারে সন্তানেরা কেঁদেকেটে অস্থির। রাস্তার শিশুরা পর্যন্ত নানা ধরনের জিনিসপাতি নিয়ে নেশা করছে।
বিশ বছর পরের বাংলাদেশের দিকে কে তাকাবে?

Tuesday, August 20, 2013

খাবার




উপকরণ : টক-মিষ্টি দই কাপ। কনডেন্সড মিল্ক আধা কাপ। আপেল, কলা, আঙ্গুর, বাঙ্গি- টুকরা করে কাটা। কিশমিশ -৬টি। খেজুর -৩টি। বাদাম -৫টি।
পদ্ধতি : দই একটা পাতলা কাপড়ে ঢেলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর ব্লেন্ডারে দই দিয়ে তাতে কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে মিনিট ব্লেন্ড করুন। এখন মিশ্রণটি পরিবেশন পাত্রে ঢেলে ফ্রিজে রাখতে হবে ঘণ্টা।
একটু জমে আসলে ফ্রিজ থেকে বের করে ফল, কিশমিশ, বাদাম, খেজুর দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন

চলুন যাই চলনবিল

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল। ৩টি জেলা জুড়ে এর বিস্তৃতি। নাটোর, সিরাজগঞ্জ পাবনা জেলার বিস্তৃত অংশ জুড়ে যে জলভূমি, বর্ষা এবং বর্ষা পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সেটাই বিখ্যাত চলনবিল। শুকনা মৌসুমে এসব বিলে জল থাকে না। তখন চাষাবাদ চলে বিলের জমিনে। তবে বর্ষায় কানায় কানায় পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে রূপের পসরা সাজিয়ে বসে

 যাতায়াত থাকা ঢাকার গাবতলি থেকে হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, ন্যাশনাল পরিবহন প্রভৃতি বাসে নাটোর যাওয়া যায়। এছাড়া রাজশাহীগামী যে কোনো বাসেই নাটোর আসা সম্ভব। ভাড়া ৩শটাকা থেকে ৭শটাকা। নাটোরের চলনবিল দেখতে গেলে থাকতে হবে নাটোর জেলা সদরে। শহরে থাকার জন্য আছে চকরামপুরে হোটেল ভিআইপি হোটেল এবং মাদ্রাসা রোডের হোটেল উত্তরা হোটেল মিল্লাত। ভাড়া ২শটাকা থেকে ৬শটাকা। 

প্রয়োজনীয় তথ্য

চলনবিলে বেড়ানোর জন্য স্থানীয় নৌকা পাওয়া যাবে ভাড়ায়। সারাদিনের জন্য ভালো মানের একটি নৌকার ভাড়া পড়বে ৫শটাকা থেকে ৬শটাকা। এছাড়া ইঞ্জিন নৌকা মিলবে হাজার টাকা থেকে হাজার টাকায়। সাঁতার না জানলে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট সঙ্গে নেবেন। নৌকায় ভ্রমণকালে হৈচৈ, লাফালাফি করবেন না।

Monday, August 19, 2013



লার্নিং এন্ড আর্নিং কর্মসূচীর অধীনে চট্টগ্রামে ট্রেনিং চলছে।আজ 2য় দিন।

Sunday, August 18, 2013

নির্বাচন

বর্তমান সংবিধানে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সংবিধানের আলোকে কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তাতে অংশ নেবে না বিএনপি।

আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির পক্ষ থেকে এ কথা জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় বক্তব্য তুলে ধরেন ফখরুল।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুসারে এ সংবিধানের আলোকে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে সংঘাত আরও বাড়বে। সংকট ঘণীভূত হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিরোধী দলের দাবি উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৫ অক্টোবরের পর সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে বলে যে কথা তারা বলছে, তা সত্য নয়। সাংবিধানিক সংকট তৈরি হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।

স্ত্রীসহ এসবি ইন্সপেক্টরের লাশ উদ্ধার

স্ত্রীসহ এসবি ইন্সপেক্টরের লাশ উদ্ধার

Friday, August 16, 2013

স্ত্রীসহ এসবি ইন্সপেক্টরের লাশ উদ্ধার


রাজধানীর চামেলীবাগে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ইন্সপেক্টর মাহফুজুল হক ও তার স্ত্রী স্বপ্নার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।আজ সন্ধ্যায় পল্টন থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, দুই তিনদিন আগে তাদের হত্যা করা হয়েছে।  ঘটনাস্থল থেকে পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Thursday, August 15, 2013

ইসলামী দলগুলো নিয়ে এরশাদের জোট

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের বাইরের ইসলামী দল ও অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের মতো সংগঠনগুলো নিয়ে নতুন একটি জোট গঠন করার কথা ভাবছেন মহাজোটের প্রধান শরিক দল জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ লক্ষ্যে তিনি নিজেই ইসলামী দল ও সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন। আর শেষ মুহূর্তে জোট-মহাজোট থেকেও কয়েকটি ধর্মীয় রাজনৈতিক দল বের হয়ে এরশাদের জোটে যোগ দিতে পারে এমন প্রত্যাশাও জাতীয় পার্টির।
জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, যেসব দল ও সংগঠন ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস করেন স্যারের (এরশাদ) সঙ্গে তাদের সবসময় ভালো সম্পর্ক বজায় ছিল। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সম্পর্ককে সক্রিয় বিবেচনায় রাখা হয়েছে। স্যারের সঙ্গে সরাসরি দল ও সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারা যোগাযোগ রক্ষা করছেন। এ ব্যাপারে স্যারই যথেষ্ট ভালো বলতে পারবেন।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক সচিব অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশিদ জানান, দুই জোটের বাইরের বিভিন্ন ধর্মীয় রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতারা স্যারের (এরশাদ) সঙ্গে জোট করার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। স্যার নিজেই সরাসরি বিষয়টি দেখছেন। স্যার এরই মধ্যে ঘোষণা করেছেন একক নির্বাচন করবেন। আমরা এ লক্ষ্যেই পার্টিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
জানা যায়, জোট-মহাজোটের বাইরে থাকা পীর চরমোনাইর নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফল মজলিস, জাকের পার্টিসহ দেওয়ানবাগ দরবার শরিফ, কুতুববাগ দরবার শরিফ, আটরশির পীর, সায়েদাবাদী হুজুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পীরদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এরশাদ। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চলতি বছরের গোড়ার দিকে গণজাগরণ মঞ্চের যাত্রা শুরুর পর আলোচনায় আসা হেফাজতে ইসলাম ছাড়াও মহাজোট ও ১৮ দলীয় জোটের বাইরে থাকা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নতুন জোট গড়ার পরিকল্পনা এঁটেছেন। জাপা নেতারা জানান, ঈদ শেষ হওয়ায় বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও প্রবল। আর এমনটি হলে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতি মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে বলেই বিশ্বাস এরশাদের। তাই এ সুযোগটিকেই কাজে লাগাতে উঠে-পড়ে লেগেছেন তিনি। সাবেক এ রাষ্ট্রপতি মনে করছেন, হেফাজতে ইসলামের সারা দেশে বিশাল জনসমর্থন রয়েছে। হেফাজত নিয়ন্ত্রিত মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্ররা এলাকাবাসীর কাছে সুপরিচিত। নানা কারণে তাদের সঙ্গে এলাকাবাসীর রয়েছে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। তারা যদি ভোটের প্রচারে নেমে পড়েন, তাহলে পরিস্থিতি বদলে যাবে। হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে জাতীয় পার্টির রয়েছে আদর্শিক মিল। অন্যদিকে আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই সহ্য করবে না হেফাজত। আবার জামায়াতের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকায় হেফাজতে ইসলাম বিএনপিকে সমর্থন করবে না। জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদীকে হেফাজতে ইসলাম সমর্থন করে না। হেফাজত নেতারা মনে করেন, জামায়াতের সঙ্গে ওঠা-বসা ও সংশ্রব রাখা মুসলমানদের জন্য জায়েজ নয়। এসব সমীকরণের কারণে হেফাজতে ইসলামের সমর্থন জাপার দিকেই থাকবে বলেই মনে করছেন এরশাদ। তাই সাবেক এ রাষ্ট্রপতি হেফাজতে ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এরশাদের প্রতিটি সভা-সমাবেশ, এমনকি দলীয় ফোরামে এরশাদের বক্তব্যের খানিকটা অংশ জুড়েই থাকছে হেফাজতে ইসলাম এমনকি আলেমদের ওপর হামলার কারণে সরকারের সমালোচনা করে কঠোর বক্তব্য।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতীয় পার্টির এক প্রেসিডিয়াম সদস্য জানান, স্যারের নেতৃত্বে ধর্মীয় দলগুলো নিয়ে আলাদা জোট হতে পারে। এ জোটে হেফাজতে ইসলামও থাকবে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। সময় যত গড়াবে, অনেক কিছুই ঘটতে পারে। হেফাজতে ইসলাম কোনো রাজনৈতিক দল নয়, ইসলাম রক্ষার জন্য তাদের পাশে ছিলাম। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পাশে হেফাজত থাকবে। তিনি বলেন, দুই দফায় ঢাকায় আসা হেফাজত কর্মীদের পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে পার্টির পক্ষ থেকে। এরশাদ নিজেও রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে হাজির থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন হেফাজত কর্মীদের মধ্যে। গত ৫ ও ৬ মের সহিংসতার জন্য সরকার হেফাজত কর্মীদের দায়ী করলেও এরশাদ বিরামহীনভাবে হেফাজত নেতা-কর্মীদের পক্ষে বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন। বলছেন, হেফাজত কোনো সন্ত্রাসী দল নয়। সহিংসতার জন্য হেফাজতের কোনো কর্মী জড়িত নয়। এরশাদের নির্দেশে উদ্বুদ্ধ হয়ে ৫ মে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা হেফাজতের পক্ষে অংশ নেয়। এতে পার্টির দুজন নেতা নিহত হন। http://nameofsenary.blogspot.com/

Sunday, August 11, 2013

‘জাকির নায়েক ধোঁকা দিচ্ছেন’


জাকির নায়েক মুসলামানদের ধোকা দিচ্ছেন দাবি করে পিস টিভিতে তার বক্তৃতা না শোনার পরামর্শ দিয়েছেন মাওলানা মীর হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী।

তিনি বলেন, “জাকির নায়েক কোনো আলেম নন। ইসলাম ধর্মীয় কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  থেকে তার কোনো সার্টিফিকেটও নেই। তিনি পিস টিভির মাধ্যমে মুসলমানদের নানাভাবে ধোঁকা দিচ্ছেন, বিভ্রান্ত করছেন।”

ভারতের মহারাষ্ট্রে জন্ম নেয়া জাকির নায়েক পিস টিভির কল্যাণে বাংলাদেশেও পরিচিত মুখ। চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রিধারী জাকির আবদুল করিম নায়েক ধর্মের প্রতি অনুরক্ত হয়ে ইসলাম নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে আসছেন।

৪৭ বছর বয়সি জাকির নায়েক নিজের প্রতিষ্ঠিত ইসলামী রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট। এই ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন পিস টিভিতে জাকির নায়েকের বক্তৃতা প্রচার করা হয়। ইসলাম নিয়ে তার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

মাওলানা যুক্তিবাদী বলেন, জাকির নায়েক ঈদের নামাজ ও জামাত নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন।

“জাকির নায়েক ঈদের নামাজের ৫ বা ৭ তাকবিরের যে তথ্য প্রচার করছেন, তা কোনো গোত্র বা দলের হতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশের শতকরা ৯০ভাগ মুসলমানই হানাফি মাজহাবের। তারা বছর বছর ধরে ৬ তাকবিরের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন।”

“জাকির নায়েক বলেছেন, ঈদের খুৎবা শোনার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঈদের খুৎবা শোনা সুন্নত।”

জাকির নায়েক তার টেলিভিশন চ্যানেলের ব্যবসায়িক স্বার্থে বিভ্রান্তিকর মাসলা-মাসায়েল দিয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি করেন মাওলানা যুক্তিবাদী।

যুক্তিবাদীর এই বয়ানের সময় সাবেক বাসন ইউপি’র চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন চৌধুরী, গাজীপুর সিটির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফয়সল আহমেদ সরকার, আতাউর রহমান, মমতাজ উদ্দিন ঈদের মাঠে ছিলেন। তারাসহ কয়েক হাজার মুসল্লি ওই ঈদ জামাতে শরিক হন।http://nameofsenary.blogspot.com/

Thursday, August 8, 2013

Eid Moburak

May Allah bless you and Your Dear Ones
With Peace, Prosperity
And Happiness On The Auspicious
Occasion Of Eid-ul-Fitar
Eid Mubarak