World Breaking News
Search This Blog
Friday, January 9, 2015
ঘুষ হিসেবে কর্মকর্তাদের কুমারী মেয়ে 'উপহার'!
ঘুষ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তাদের কুমারী মেয়ে 'উপহার' দিচ্ছেন চীনা ব্যবসায়ী! পাঠক ভড়কে গেলেন। ভড়কানো কোনো কারণ নেই। চীনের শানসি প্রদেশের একদল ব্যবসায়ী এমন কাজেই জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
কুমারী মেয়েদের কিনতে প্রদেশটির স্কুলশিক্ষার্থীদের পেছনে কোটি কোটি ঢেলেছেন ওই ব্যবসায়ীরা। এ জন্য তিন লাখ ২১ হাজার ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রা প্রায় ২৫ কোটি টাকা দিয়েছেন তারা। সম্প্রতি কিছু স্কুলছাত্রী শ্লীলতাহানি ও নিপীড়নের কথা জানানোর পর বিষয়টি প্রকাশ পায়।
স্থানীয় খবরে বলা হয়, শানসি প্রদেশের প্যারামাউন্ড স্ক্রীম স্কুলের ১১ গ্রেডের ছাত্রীরা প্রথমে তাদের জুনিয়রদের বিভিন্নভাবে প্রলুব্ধ করে। এরপর সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের যৌনকাজে বাধ্য করাতে চরম প্রহার করে তারা। এ কাজের জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পেয়েছে সিনিয়র শিক্ষার্থীরা।
যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ইতিমধ্যে স্কুলটির সাত সিনিয়র ছাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে একজনের বয়স ১৬'র কম হওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে খবরে আরো বলা হয়, ওই সাত সিনিয়র ছাত্রী তাদের পাঁচ জুনিয়রকে বসে আনে এবং ব্ল্যাকমেইল করার উদ্দেশ্যে তাদের নগ্ন ছবি তুলে রাখেন। তারা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌনকর্মে রাজি না হওয়ায় নির্মম নির্যাতন চালায় তারা। নির্যাতনে একজনের কানের পর্দা ফেটে যায়। ছুরিকাঘাতও করা হয় তাদের।'
নির্যাতনের শিকার পিতামাতারা জানান, কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌন কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো তাদের চরম প্রহার করা হয়।
কুমারী মেয়ে সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ১ লাখ ৯৩ হাজার ডলার নেয় এক ছাত্রী। আর অন্যরা নেয় ১ লাখ ২৮ হাজার ডলার।
খবরে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তাদের বসে আনতে উপহার হিসেবে তাদের কাছে কুমারী মেয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেন চীনের ওই ব্যবসায়ীরা। এই মেয়ে সংগ্রহের জন্য শিক্ষার্থীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ দেন তারা। তবে কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
এই অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে গ্রামের এক সরকারি কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তাকে শাস্তিও দিয়েছে এবং এ ব্যাপারে স্কুল ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার।
বিশ্ব এস্তেমা নিয়ে কিছু পরিকল্পনা
আমি যখন হাজ্জ এ গেলাম তখন প্রথম দিকে হাজ্জ এর তেমন কোন কষ্ট বুজি নাই। সারাদিন এসি রুমে বসে হাওয়া খাই আর নামাজের সময় নামাজ পড়ি। ৩ বেলা ভাল খাবার সাথে পর্যাপ্ত পানি, জুস তোঁ আছেই। সমস্যা শুরু হল যখন আরাফাতের ময়দানে বসে আছি, সূর্যের তাপে গলা শুকিয়ে কাঠ। সেই সময় একমাত্র ভরসা পানি। কিন্তু মরুভুমির দেশে পানি কিন্তু সহজলভ্য নয়। আমাদের সেই সমস্যার সমাধান করল কয়েকটা কোম্পানি। তারা ট্রাকে ট্রাকে পানি নিয়ে আসলো আর আমাদের ফ্রী পানি দিতে লাগল। পানির সাথে সাথে যেন জীবন ফিরে পেলাম। তখন প্রথম উপলব্ধি করলাম যে পানির আরেক নাম জীবন। বাংলাদেশে বসে এই অনুভূতি পাওয়া সম্ভব না। বাংলাদেশের মানুষ যে কত শান্তিতে থাকে সেটা বোধ হয় তারা নিজেরাও জানে না। কথায় আছে, যে পোকা মিষ্টি আমে জন্মায় সে জানে না মিষ্টি কি জিনিষ। যাই হোক, ফিরে আসি মূল প্রসঙ্গে।
হাজ্জ এর সময় দেখলাম হাজার হাজার মানুষ যে যেভাবে পারছে হাজীদের সাহায্য করছে। যেহেতু সেখানে পানি সহজ লভ্য নয় সুতরাং হাজীদের যাওয়া আসার পথে অনেক মানুষ ফ্রী পানির বোতল দিচ্ছে হাজীদের। খেজুর ও অন্যান্য শুকনো খাবার দিচ্ছে কেউ কেউ। সেখানে পানির দাম সম্পর্কে একটু ধারনা দেই, ৮ লিটার তেলের দাম=১ লিটার পানির দাম। সেরকম একটি জায়গায় সকল পানি ফ্রী। এগুলা কিন্তু সরকারি বেবস্তাপনায় হয় নাই। বিভিন্ন কোম্পানি ও সাধারন মানুষ যার যতটুকু ক্ষমতা আছে তাই নিয়ে হাজীদের সাহায্য করে।
এবার আসি বাংলাদেশের অবস্থা নিয়ে। আমার বাসার পাশে ই এস্তেমা হচ্ছে। হটাত করে দেখি আমার বাসার সামনের ফুটপাথ কে যেন কাকে ৫০,০০০ টাকায় ভাড়া দিয়ে দিছে। রাস্তায় গাড়ি বের করতে পারি না। পুরা রাস্তা কারা যেন রাতা রাতি দখল করে ফেলেছে। যে পানির দাম ১০-১৫ টাকা সেটা এখন ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমার অফিসের স্টাফ রা আগে সকালে অফিসের নিচে নাস্তা করত যেটা ৩০-৪০ টাকার মধ্যে হয়ে যেত। এখন তারা ২০০ টাকার নিচে নাস্তা করতে পারছে না। অথচ হাজ্জ এর পর এস্তেমায় সবচেয়ে বেশী মানুষের সমাগম হয়।
সবাই যখন এই সুযোগে যার যার পকেট ভরতে বেস্ত তখন আমার মত আম জনতা এই মানুষ গুলোর জন্য কিছু করতে চাই। আপাতত প্লান হচ্ছে আমার বাসার সামনে দিয়ে যত মানুষ আসা যাওয়া করবেন তাদের সবাইকে ফ্রী পানির বোতল দেয়া। তৃষ্ণার্ত মানুষ যেন পানির জন্য কষ্ট না পায়। আমরা যারা উত্তরা বসবাস করি তারা যদি সবাই যার যার বাসার সামনে যার যা আছে তা দিয়ে এদেরকে সাহায্য করি তবে হয়তো কিছু মানুষ উপকৃত হবে। যাদের বাসা উত্তারা না তারা উত্তরা তে কোন আত্মীয় স্বজনের বাসায় এসে এ কাজে যোগ দিতে পারেন। যাদের কেউ নাই তাদের জন্য এই বান্দা হাজির। আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারব একটু জায়গা দিয়ে।
এবার আসি মূল প্রসঙ্গে, আমার ১০,০০০ পানির বোতল দরকার। কোন উদ্যোক্তা কি আছে এখানে যিনি আমাকে কম দামে পানি দিতে পারবেন? আপনি চাইলে পানির বোতলে আপনার কম্পানির নাম লিখে মার্কেটিং করতে পারেন। আমার সুধু দরকার একটু কম খরচ। আপনাদের মধ্যে কেউ যদি থাকেন যিনি পানি দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন না কিন্তু টাকা দিতে পারবেন তারাও আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সেই টাকা দিয়ে শুকনো খাবার ও আরও বেশি পানি সরবরাহের বেবস্থা করব।
সময় কিন্তু নাই। কাল কে থেকে এস্তেমা শুরু। সুতরাং যা করার আজ-কালের মধ্যে ই করতে হবে। আমাকে সরাসরি কল করতে পারেনঃ ০১৭৫৯৮৬৯৩৭৩
তুরাগ তীরে লাখো মুসল্লির জুমা আদায়
ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর তুরাগপাড়ে শুরু হয়েছে মুসলমান ধর্মালম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা।
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন আর মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি সমবেত হয়েছেন ইজতেমা ময়দানে। এর আগে রাতে চলে জিকির-আসগার।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলের অবরোধের বাধা সত্ত্বেও পথের দুর্ভোগ উপেক্ষা করেই মুসল্লিরা শরিক টঙ্গীর তুরাগপাড়ে জমায়েত হয়েছেন।
দুর্ভোগ স্বত্ত্বেও এরইমধ্যে এসে পৌঁছেছেন দেশি-বিদেশি মুসুল্লিরা। দেশের ৩২টি জেলার কয়েক লাখ মুসল্লি জেলা ভিত্তিক ৪০টি আলাদা খিত্তায় বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছেন শামিয়ানা খুঁটির অস্থায়ী নিবাসে। বিশ্বের অর্ধশত দেশ থেকে কয়েক হাজার মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন।
ইজতেমা ময়দানে চারপাশে নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিরাপত্তা রক্ষায় পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নজরদারিতে রয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-পুলিশ সদস্যরা।
ইজতেমায় শরীক হতে টঙ্গী অভিমুখী সড়কগুলোতে বাড়ছে মানুষের ভিড়। মুসল্লিদের আনা নেয়ার জন্য এবারো রয়েছে বিশেষ বাস ও ট্রেন সার্ভিসের ব্যবস্থা।
রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম পর্ব আর দ্বিতীয় পর্ব ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
Friday, March 14, 2014
World Breaking News: বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে মসজিদের নগরী পাপের নগরীতে পরিণত...
World Breaking News: বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে মসজিদের নগরী পাপের নগরীতে পরিণত...: http://nameofsenary.blogspot.com/ বিশ্বকাপ খেলাকে কেন্দ্র করে মসজিদের নগরী পাপের নগরীতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলা...
বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে মসজিদের নগরী পাপের নগরীতে পরিণত হয়েছে : চরমোনাই পীর
বিশ্বকাপ খেলাকে কেন্দ্র করে মসজিদের নগরী পাপের নগরীতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বকাপ খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার ছড়াছড়ি সচেতন ঈমানদার জনতাকে ভাবিয়ে তুলেছে। একটি খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নিয়ে যেভাবে দেশময় অপসংস্কৃতিকে উসকে দিয়েছে তাতে একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে বিস্মিত না হয়ে পারা যায় না। নিজেদের ঈমান ও আমলের হেফাজতের স্বার্থে এবং কবর তথা পরকালের
কথা চিন্তা করলে এহেন অমার্জনীয় কাজ পরিত্যাগ করা উচিত বলেও গতকাল এক বিবৃতিতে চরমোনাই পীর এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ইভটিজিং বন্ধ করতে চায়, কিন্তু এভাবে সরকারিভাবে অশ্লীলতাকে উসকে দিয়ে কখনোই ইভটিজিং বন্ধ করা যাবে না। বৃহত্তর মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সকীয়তার প্রতি কোনো প্রকার তোয়াক্কা না করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় এবং অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ও বেলেল্লাপনার অবতারণা করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল হিসেবে অনেক সচেতন মানুষ যখন আমাদের কাছে ঘটনার বর্ণনা করে তাতে মুসলিম দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের মাথা নিচু হয়ে যায়। সরকারের উচিত হলো অশ্লীলতা বন্ধে আন্তরিকভাবে কাজ করা।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বকাপ খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার ছড়াছড়ি সচেতন ঈমানদার জনতাকে ভাবিয়ে তুলেছে। একটি খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নিয়ে যেভাবে দেশময় অপসংস্কৃতিকে উসকে দিয়েছে তাতে একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে বিস্মিত না হয়ে পারা যায় না। নিজেদের ঈমান ও আমলের হেফাজতের স্বার্থে এবং কবর তথা পরকালের
কথা চিন্তা করলে এহেন অমার্জনীয় কাজ পরিত্যাগ করা উচিত বলেও গতকাল এক বিবৃতিতে চরমোনাই পীর এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ইভটিজিং বন্ধ করতে চায়, কিন্তু এভাবে সরকারিভাবে অশ্লীলতাকে উসকে দিয়ে কখনোই ইভটিজিং বন্ধ করা যাবে না। বৃহত্তর মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সকীয়তার প্রতি কোনো প্রকার তোয়াক্কা না করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় এবং অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ও বেলেল্লাপনার অবতারণা করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল হিসেবে অনেক সচেতন মানুষ যখন আমাদের কাছে ঘটনার বর্ণনা করে তাতে মুসলিম দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের মাথা নিচু হয়ে যায়। সরকারের উচিত হলো অশ্লীলতা বন্ধে আন্তরিকভাবে কাজ করা।
Subscribe to:
Posts (Atom)
