সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন শুরু হয়েছিল। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে কমিশনকে।ইসি সূত্র জানায়, গাজীপুর সিটিসহ অন্যান্য নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করছে ইসি। আরপিওর এ সংশোধনীর চূড়ান্ত খসড়ার আইনগত দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও প্রার্থীর (দলীয়) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে দলের হাতে। মূলত দলীয় সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে কমিশন। নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী ৫৩ সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রয়োজনীয় মালামাল কেনায় ইউএনডিপির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে ইসি। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনেক মালামাল চলে আসবে ইসির কাছে। কর্মকর্তরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ দিকে। ২৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবেন। নির্বাচন কমিশন অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বহাল রেখেই দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সংসদ নেতা থেকে সংসদ সদস্য, স্পিকার থেকে হুইপ, প্রত্যেকেই স্ব-স্ব পদে বহাল থাকছেন। তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে যদি অংশ নেন তাহলে নির্বাচনী প্রচারণায় বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তবে প্রটোকল না পেলেও নির্বাচনী প্রচারণায় নিরাপত্তা প্রটেকশন পাবেন। এ ছাড়া দলীয় প্রধান মনোনীত মন্ত্রীদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ রাখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন-উপযোগী করে প্রার্থীর প্রচারণায় বিধিনিষেধ রেখেই দশম সংসদ নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি সংশোধন করছে ইসি।sheikhfarid676@yahoo.com
বর্তমান
প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য
মাস্টারপ্ল্যান করেছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য ডিসিদের রিটার্নিং অফিসার
করা, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ, ক্ষমতাসীন দলের প্রেসক্রিপশন
অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, নির্বাচনী আচরণবিধি সংশোধন ও
আরপিওতে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ইসি। এমনকি
বিশেষভাবে আচরণবিধি করে সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান
মনোনীত ব্যক্তিদের (মন্ত্রী) সারা দেশে নির্বাচনে প্রচারণা করার সুযোগ
দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নিয়োগ করা হবে নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট। যদিও নির্বাচন কমিশন বলছে, আচরণবিধি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
একইভাবে নির্বাচন সামনে রেখে সরকার সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনকে ঢেলে সাজাচ্ছে।
নিজেদের পছন্দের কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,
পুলিশ সুপার ও ওসিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সংসদ
নির্বাচনে দলীয় প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সারা দেশে
নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলে নির্বাচনে 'লেভেল প্লেয়িং
ফিল্ড' নষ্ট হবে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা। তারা বলেন, এ ধরনের
আচরণবিধিতে নির্বাচনী প্রচারণায় সব দলের জন্য সমান সুযোগ থাকবে না।
ক্ষমতাসীন দলের নেতারা প্রচারণায় বাড়তি সুযোগ পাবেন।
সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন শুরু হয়েছিল। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে কমিশনকে।ইসি সূত্র জানায়, গাজীপুর সিটিসহ অন্যান্য নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করছে ইসি। আরপিওর এ সংশোধনীর চূড়ান্ত খসড়ার আইনগত দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও প্রার্থীর (দলীয়) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে দলের হাতে। মূলত দলীয় সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে কমিশন। নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী ৫৩ সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রয়োজনীয় মালামাল কেনায় ইউএনডিপির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে ইসি। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনেক মালামাল চলে আসবে ইসির কাছে। কর্মকর্তরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ দিকে। ২৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবেন। নির্বাচন কমিশন অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বহাল রেখেই দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সংসদ নেতা থেকে সংসদ সদস্য, স্পিকার থেকে হুইপ, প্রত্যেকেই স্ব-স্ব পদে বহাল থাকছেন। তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে যদি অংশ নেন তাহলে নির্বাচনী প্রচারণায় বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তবে প্রটোকল না পেলেও নির্বাচনী প্রচারণায় নিরাপত্তা প্রটেকশন পাবেন। এ ছাড়া দলীয় প্রধান মনোনীত মন্ত্রীদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ রাখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন-উপযোগী করে প্রার্থীর প্রচারণায় বিধিনিষেধ রেখেই দশম সংসদ নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি সংশোধন করছে ইসি। - See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/24/7275#sthash.vXPPj4ZE.dpuf
সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন শুরু হয়েছিল। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে কমিশনকে।ইসি সূত্র জানায়, গাজীপুর সিটিসহ অন্যান্য নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করছে ইসি। আরপিওর এ সংশোধনীর চূড়ান্ত খসড়ার আইনগত দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও প্রার্থীর (দলীয়) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে দলের হাতে। মূলত দলীয় সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে কমিশন। নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী ৫৩ সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রয়োজনীয় মালামাল কেনায় ইউএনডিপির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে ইসি। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনেক মালামাল চলে আসবে ইসির কাছে। কর্মকর্তরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ দিকে। ২৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবেন। নির্বাচন কমিশন অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বহাল রেখেই দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সংসদ নেতা থেকে সংসদ সদস্য, স্পিকার থেকে হুইপ, প্রত্যেকেই স্ব-স্ব পদে বহাল থাকছেন। তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে যদি অংশ নেন তাহলে নির্বাচনী প্রচারণায় বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তবে প্রটোকল না পেলেও নির্বাচনী প্রচারণায় নিরাপত্তা প্রটেকশন পাবেন। এ ছাড়া দলীয় প্রধান মনোনীত মন্ত্রীদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ রাখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন-উপযোগী করে প্রার্থীর প্রচারণায় বিধিনিষেধ রেখেই দশম সংসদ নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি সংশোধন করছে ইসি। - See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/24/7275#sthash.vXPPj4ZE.dpuf
বর্তমান
প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য
মাস্টারপ্ল্যান করেছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য ডিসিদের রিটার্নিং অফিসার
করা, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ, ক্ষমতাসীন দলের প্রেসক্রিপশন
অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, নির্বাচনী আচরণবিধি সংশোধন ও
আরপিওতে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ইসি। এমনকি
বিশেষভাবে আচরণবিধি করে সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান
মনোনীত ব্যক্তিদের (মন্ত্রী) সারা দেশে নির্বাচনে প্রচারণা করার সুযোগ
দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নিয়োগ করা হবে নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট। যদিও নির্বাচন কমিশন বলছে, আচরণবিধি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
একইভাবে নির্বাচন সামনে রেখে সরকার সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনকে ঢেলে সাজাচ্ছে।
নিজেদের পছন্দের কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,
পুলিশ সুপার ও ওসিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সংসদ
নির্বাচনে দলীয় প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সারা দেশে
নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলে নির্বাচনে 'লেভেল প্লেয়িং
ফিল্ড' নষ্ট হবে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা। তারা বলেন, এ ধরনের
আচরণবিধিতে নির্বাচনী প্রচারণায় সব দলের জন্য সমান সুযোগ থাকবে না।
ক্ষমতাসীন দলের নেতারা প্রচারণায় বাড়তি সুযোগ পাবেন।
সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন শুরু হয়েছিল। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে কমিশনকে।ইসি সূত্র জানায়, গাজীপুর সিটিসহ অন্যান্য নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করছে ইসি। আরপিওর এ সংশোধনীর চূড়ান্ত খসড়ার আইনগত দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও প্রার্থীর (দলীয়) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে দলের হাতে। মূলত দলীয় সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে কমিশন। নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী ৫৩ সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রয়োজনীয় মালামাল কেনায় ইউএনডিপির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে ইসি। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনেক মালামাল চলে আসবে ইসির কাছে। কর্মকর্তরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ দিকে। ২৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবেন। নির্বাচন কমিশন অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বহাল রেখেই দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সংসদ নেতা থেকে সংসদ সদস্য, স্পিকার থেকে হুইপ, প্রত্যেকেই স্ব-স্ব পদে বহাল থাকছেন। তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে যদি অংশ নেন তাহলে নির্বাচনী প্রচারণায় বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তবে প্রটোকল না পেলেও নির্বাচনী প্রচারণায় নিরাপত্তা প্রটেকশন পাবেন। এ ছাড়া দলীয় প্রধান মনোনীত মন্ত্রীদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ রাখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন-উপযোগী করে প্রার্থীর প্রচারণায় বিধিনিষেধ রেখেই দশম সংসদ নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি সংশোধন করছে ইসি। - See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/24/7275#sthash.vXPPj4ZE.dpuf
সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন শুরু হয়েছিল। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে কমিশনকে।ইসি সূত্র জানায়, গাজীপুর সিটিসহ অন্যান্য নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করছে ইসি। আরপিওর এ সংশোধনীর চূড়ান্ত খসড়ার আইনগত দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আর সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল ও প্রার্থীর (দলীয়) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে দলের হাতে। মূলত দলীয় সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে কমিশন। নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী ৫৩ সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রয়োজনীয় মালামাল কেনায় ইউএনডিপির সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে ইসি। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনেক মালামাল চলে আসবে ইসির কাছে। কর্মকর্তরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ দিকে। ২৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবেন। নির্বাচন কমিশন অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বহাল রেখেই দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সংসদ নেতা থেকে সংসদ সদস্য, স্পিকার থেকে হুইপ, প্রত্যেকেই স্ব-স্ব পদে বহাল থাকছেন। তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে যদি অংশ নেন তাহলে নির্বাচনী প্রচারণায় বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। তবে প্রটোকল না পেলেও নির্বাচনী প্রচারণায় নিরাপত্তা প্রটেকশন পাবেন। এ ছাড়া দলীয় প্রধান মনোনীত মন্ত্রীদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ রাখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন-উপযোগী করে প্রার্থীর প্রচারণায় বিধিনিষেধ রেখেই দশম সংসদ নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি সংশোধন করছে ইসি। - See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/24/7275#sthash.vXPPj4ZE.dpuf
No comments:
Post a Comment