শিকারিরা মারতে গেলেন হরিণ। কিন্তু মারা পড়লো বাঘের বাচ্চা। আর যায় কোথায়? একদল বাঘ শিকারিদের আক্রমণ করলো। ছয়জনের একজন গেল বাঘের পেটে। বাকিরা দ্রুত গাছে উঠে পড়লেন। তারপরের তিনটা দিন তাদের কাটাতে হলো গাছের উপর।ঘটনাটি। গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার গুনুং লিউজার ন্যাশনাল পার্কের গভীর বনে সুগন্ধি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এমনই রোমহর্ষক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় শিকারিদের। তারা আচেহ প্রদেশের সিমপাংকিরির বাসিন্দা।গাছে আশ্রয় নেওয়ার পর শিকারিরা মুঠোফোনে পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিপদের কথা জানালে গত শনিবার পুলিশসহ ৩০ সদস্যের একটি দল ওই ৫ জনকে উদ্ধারের জন্য রওনা হন। বনের গভীরে ঘটনাস্থলে হেঁটে যেতে তাদের ২/৩ দিন লেগে যেতে পারে।
স্থানীয় পুলিশপ্রধান ডিকে সোসদানি জানান, সেখানে গিয়ে যদি বাঘগুলোকে ওই গাছের নিচে পাওয়া যায়, তাহলে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করতে হবে। এভাবেই ওই পাঁচ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/09/4920#sthash.mRcTa09t.dpuf
শিকারিরা মারতে গেলেন হরিণ। কিন্তু মারা পড়লো বাঘের বাচ্চা। আর যায় কোথায়? একদল বাঘ শিকারিদের আক্রমণ করলো। ছয়জনের একজন গেল বাঘের পেটে। বাকিরা দ্রুত গাছে উঠে পড়লেন। তারপরের তিনটা দিন তাদের কাটাতে হলো গাছের উপর।ঘটনাটি। গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার গুনুং লিউজার ন্যাশনাল পার্কের গভীর বনে সুগন্ধি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এমনই রোমহর্ষক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় শিকারিদের। তারা আচেহ প্রদেশের সিমপাংকিরির বাসিন্দা।গাছে আশ্রয় নেওয়ার পর শিকারিরা মুঠোফোনে পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিপদের কথা জানালে গত শনিবার পুলিশসহ ৩০ সদস্যের একটি দল ওই ৫ জনকে উদ্ধারের জন্য রওনা হন। বনের গভীরে ঘটনাস্থলে হেঁটে যেতে তাদের ২/৩ দিন লেগে যেতে পারে।
স্থানীয় পুলিশপ্রধান ডিকে সোসদানি জানান, সেখানে গিয়ে যদি বাঘগুলোকে ওই গাছের নিচে পাওয়া যায়, তাহলে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করতে হবে। এভাবেই ওই পাঁচ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/09/4920#sthash.mRcTa09t.dpu
ঘটনাটি। গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার গুনুং লিউজার ন্যাশনাল পার্কের গভীর বনে সুগন্ধি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এমনই রোমহর্ষক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় শিকারিদের। তারা আচেহ প্রদেশের সিমপাংকিরির বাসিন্দা।গাছে আশ্রয় নেওয়ার পর শিকারিরা মুঠোফোনে পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিপদের কথা জানালে গত শনিবার পুলিশসহ ৩০ সদস্যের একটি দল ওই ৫ জনকে উদ্ধারের জন্য রওনা হন। বনের গভীরে ঘটনাস্থলে হেঁটে যেতে তাদের ২/৩ দিন লেগে যেতে পারে।
স্থানীয় পুলিশপ্রধান ডিকে সোসদানি জানান, সেখানে গিয়ে যদি বাঘগুলোকে ওই গাছের নিচে পাওয়া যায়, তাহলে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করতে হবে। এভাবেই ওই পাঁচ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব।
শিকারিরা মারতে গেলেন হরিণ। কিন্তু মারা পড়লো বাঘের বাচ্চা। আর যায় কোথায়? একদল বাঘ শিকারিদের আক্রমণ করলো। ছয়জনের একজন গেল বাঘের পেটে। বাকিরা দ্রুত গাছে উঠে পড়লেন। তারপরের তিনটা দিন তাদের কাটাতে হলো গাছের উপর।ঘটনাটি। গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার গুনুং লিউজার ন্যাশনাল পার্কের গভীর বনে সুগন্ধি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এমনই রোমহর্ষক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় শিকারিদের। তারা আচেহ প্রদেশের সিমপাংকিরির বাসিন্দা।গাছে আশ্রয় নেওয়ার পর শিকারিরা মুঠোফোনে পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিপদের কথা জানালে গত শনিবার পুলিশসহ ৩০ সদস্যের একটি দল ওই ৫ জনকে উদ্ধারের জন্য রওনা হন। বনের গভীরে ঘটনাস্থলে হেঁটে যেতে তাদের ২/৩ দিন লেগে যেতে পারে।
স্থানীয় পুলিশপ্রধান ডিকে সোসদানি জানান, সেখানে গিয়ে যদি বাঘগুলোকে ওই গাছের নিচে পাওয়া যায়, তাহলে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করতে হবে। এভাবেই ওই পাঁচ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/09/4920#sthash.mRcTa09t.dpuf
শিকারিরা মারতে গেলেন হরিণ। কিন্তু মারা পড়লো বাঘের বাচ্চা। আর যায় কোথায়? একদল বাঘ শিকারিদের আক্রমণ করলো। ছয়জনের একজন গেল বাঘের পেটে। বাকিরা দ্রুত গাছে উঠে পড়লেন। তারপরের তিনটা দিন তাদের কাটাতে হলো গাছের উপর।ঘটনাটি। গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার গুনুং লিউজার ন্যাশনাল পার্কের গভীর বনে সুগন্ধি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে এমনই রোমহর্ষক ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় শিকারিদের। তারা আচেহ প্রদেশের সিমপাংকিরির বাসিন্দা।গাছে আশ্রয় নেওয়ার পর শিকারিরা মুঠোফোনে পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিপদের কথা জানালে গত শনিবার পুলিশসহ ৩০ সদস্যের একটি দল ওই ৫ জনকে উদ্ধারের জন্য রওনা হন। বনের গভীরে ঘটনাস্থলে হেঁটে যেতে তাদের ২/৩ দিন লেগে যেতে পারে।
স্থানীয় পুলিশপ্রধান ডিকে সোসদানি জানান, সেখানে গিয়ে যদি বাঘগুলোকে ওই গাছের নিচে পাওয়া যায়, তাহলে চেতনানাশক দিয়ে অচেতন করতে হবে। এভাবেই ওই পাঁচ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা সম্ভব।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/07/09/4920#sthash.mRcTa09t.dpuf

No comments:
Post a Comment